বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ চেষ্টার সময় গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ

ছবি প্রতিকী

দিনাজপুরের খানসামায় ধর্ষণ চেষ্টা করায় শ্বশুর আ. মতিনের (৬০) গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন পুত্রবধূ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের সুবর্ণখুলীতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা জানান, প্রায় ২১ বছর আগে একই এলাকার মহিশাহপাড়ার নজু ইসলামের মেয়ের সাথে আ. মতিনের ছেলে রশিদুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ে পর থেকেই শ্বশুর পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি পুত্রবধূ তার স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি।

অপরদিকে, সুযোগ পেলেই শ্বশুর পুত্রবধূকে যৌন নির্যাতন করতে থাকে। গত রাতেও পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন শ্বশুর আ. মতিন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শ্বশুরের গোপনাঙ্গ কেটে দেন পুত্রবধূ। এ সময় আ. মতিনের চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে পুত্রবধূর স্বামী রশিদুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল বলেন, গতকাল দিবাগত রাতে আহতাবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁর গোপনাঙ্গ অর্ধেকেরও বেশি কাটা ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চিত্তরঞ্জন রায় বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

ধর্ষণ চেষ্টার সময় গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৯:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২

দিনাজপুরের খানসামায় ধর্ষণ চেষ্টা করায় শ্বশুর আ. মতিনের (৬০) গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন পুত্রবধূ। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের সুবর্ণখুলীতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা জানান, প্রায় ২১ বছর আগে একই এলাকার মহিশাহপাড়ার নজু ইসলামের মেয়ের সাথে আ. মতিনের ছেলে রশিদুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ে পর থেকেই শ্বশুর পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি পুত্রবধূ তার স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি।

অপরদিকে, সুযোগ পেলেই শ্বশুর পুত্রবধূকে যৌন নির্যাতন করতে থাকে। গত রাতেও পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন শ্বশুর আ. মতিন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শ্বশুরের গোপনাঙ্গ কেটে দেন পুত্রবধূ। এ সময় আ. মতিনের চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে পুত্রবধূর স্বামী রশিদুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল বলেন, গতকাল দিবাগত রাতে আহতাবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁর গোপনাঙ্গ অর্ধেকেরও বেশি কাটা ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চিত্তরঞ্জন রায় বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।