রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১২:২৮ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর ক্ষমতার মোহ ছিল না : শিক্ষামন্ত্রী

তাসদিকুল হাসান, জাগো২৪.নেট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল থেকে
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

একজন সাহসী অধিকারসচেতন মানুষ ছিলেন শেখ মুজিবর রহমান, সারাজীবনে ত্যাগ তিতিক্ষা করে একসময় বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন পাকিস্তান কাঠামোতে কখনও পূর্ব বাংলার মানুষের উন্নতি সম্ভব নয়। বাঙালি জাতির জন্য তিনি আলাদা স্বাধীন ভূখন্ড চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু প্রথমে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নিজের মধ্যে ধারণ করেন এবং পরবর্তীতে জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেন। তার কখনো ক্ষমতার প্রতি মোহ ছিল না, যা করতেন সবই মানুষের জন্য। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই আদর্শ পোষন করেন।

জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে ২৪ আগস্ট রোজ বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কর্তৃক আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ধারা হলো একটা উদার রাজনৈতিক ধারা। সবসময় মনে রাখতে হবে বিপরীত ধারার লোক এখনো আছে, তাদের উত্তরসূরীরা এখনো আছে। তাদের কাজই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বিরোধিতা করা। তারা সবসময় এগিয়ে যাওয়ার বিষয়কে বাধাগ্রস্ত করে বিরোধিতা করে। তারা অগ্নিসন্ত্রাস, রাজনৈতিক রাহাজানির সাথে জড়িত। সামরিক শাসকরা যারাই ক্ষমতায় এসেছিল তারাই এ দেশকে শোষন করেছে। রাজনৈতিক বিষয়কে বিষাক্ত করে তুলেছেন সামরিক শাসকরা। এমনকি নিজেদের অস্তিত্ব নিয়েই পরবর্তীতে নিজেদের ভিতর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডে জিয়ার ভূমিকার কারণে শুধু ইতিহাসবিদই নয়, পুরো জাতির নিকট জিয়া শ্রেষ্ঠ খলনায়ক হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। ইতিহাসকে পালটে ফেলেছেন জিয়াউর রহমান।

আলোচনা সভার বিশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোঃ ইমদাদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কারন ছিল বঙ্গবন্ধু সারাজীবন মেহনতী মানুষের জন্য কাজ করেছেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালে মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে বিশ্ব ইতিহাসে জগন্যতম কাজ। তখন কোথায় ছিল বঙ্গবন্ধুর কাছের লোকেরা। এ কথাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বলেছেন। ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনো থেমে নাই। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আসল খলনায়ক জিয়াউর রহমান, মেজর ডালিম সহ যারা জড়িত ছিল তাদের দোসরদেরকে বিচারের আওতায় এনে ইতিহাসকে কলঙ্কমুক্ত করতে হবে। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম বলেন,বঙ্গবন্ধুর শরীরে ১৮টি গুলি করা হয় একটা মানুষকে হত্যা করতে এত গুলি দরকার হয় না। বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাসের সাথে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | জাগো২৪.নেট

কারিগরি সহায়তায় : শাহরিয়ার হোসাইন