বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি নির্দেশনা মানেননি হাকিমপুর উপজেলার যেসব কর্মকর্তারা

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত উপক্ষো করেছেন।  বেশির ভাগ সরকারি দপ্তরে সকাল ৯ টা পর্যন্ত তালা ঝুলাতে দেখা গেছে। আবার কোন অফিস খোলা থাকলেও সকাল ৮ টার মধ্যে উপস্থিত হননি কর্মকর্তরা।
বুধবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাকিমপুর পৌর ভুমি অফিস, নির্বাচন অফিস, উপজেলা প্রকৌশলী অফিস, জনস্বাস্থ্য অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে তালা ঝুলানো।
কর্মকর্তারা উপস্থিত নেই। কোন কোন অফিস খোলা থাকলেও চেয়ারে অফিসার নেই। অথচ ফ্যান ঘুরতে দেখা গেছে। সরকারি নির্দেশনা কেন মানছেন না জানতে চাইলে এসব কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
হাকিমপুর পৌর ভুমি অফিস খোলা থাকলে তহশিলদারের কক্ষে তালা ঝুলানো। সকাল সাড়ে ৮ টায় হাকিমপুর পৌর তহলিদার আইজুল ইসলাম মুঠো ফোনে বলেন, ট্রেনে আছি, আসতেছি।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের মুল ফটকে তালা ঝোলানো ছিল। নির্বাচন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
হাকিমপুর উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা থাকলেও প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেনের কক্ষ বন্ধ। মঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাকিমপুর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মেহেরুবা খাতুন বলেন, রাস্তায় আছি, অফিসে যাচ্ছি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসেরও একই চিত্র। তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বন্ধ ছিল। কর্মকর্তাসহ কোন কর্মচারীই উপস্থিত ছিলেন না অফিসে। উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মুঠোফোনে জানান, অফিসের পিয়ন নেই। আমি মাঠে আছি।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ-আলম বলেন, সরকারি নির্দেশনা পেয়েছি। যেসব কর্মকর্তাগন এই নির্দেশনা মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার মন্ত্রী পরিষদের সভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি-বেসরকারি অফিস সকাল ৮ থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে।
জনপ্রিয়

সরকারি নির্দেশনা মানেননি হাকিমপুর উপজেলার যেসব কর্মকর্তারা

প্রকাশের সময়: ০৫:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত উপক্ষো করেছেন।  বেশির ভাগ সরকারি দপ্তরে সকাল ৯ টা পর্যন্ত তালা ঝুলাতে দেখা গেছে। আবার কোন অফিস খোলা থাকলেও সকাল ৮ টার মধ্যে উপস্থিত হননি কর্মকর্তরা।
বুধবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮ টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাকিমপুর পৌর ভুমি অফিস, নির্বাচন অফিস, উপজেলা প্রকৌশলী অফিস, জনস্বাস্থ্য অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে তালা ঝুলানো।
কর্মকর্তারা উপস্থিত নেই। কোন কোন অফিস খোলা থাকলেও চেয়ারে অফিসার নেই। অথচ ফ্যান ঘুরতে দেখা গেছে। সরকারি নির্দেশনা কেন মানছেন না জানতে চাইলে এসব কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
হাকিমপুর পৌর ভুমি অফিস খোলা থাকলে তহশিলদারের কক্ষে তালা ঝুলানো। সকাল সাড়ে ৮ টায় হাকিমপুর পৌর তহলিদার আইজুল ইসলাম মুঠো ফোনে বলেন, ট্রেনে আছি, আসতেছি।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের মুল ফটকে তালা ঝোলানো ছিল। নির্বাচন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
হাকিমপুর উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা থাকলেও প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেনের কক্ষ বন্ধ। মঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাকিমপুর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মেহেরুবা খাতুন বলেন, রাস্তায় আছি, অফিসে যাচ্ছি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসেরও একই চিত্র। তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক বন্ধ ছিল। কর্মকর্তাসহ কোন কর্মচারীই উপস্থিত ছিলেন না অফিসে। উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মুঠোফোনে জানান, অফিসের পিয়ন নেই। আমি মাঠে আছি।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ-আলম বলেন, সরকারি নির্দেশনা পেয়েছি। যেসব কর্মকর্তাগন এই নির্দেশনা মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার মন্ত্রী পরিষদের সভায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি-বেসরকারি অফিস সকাল ৮ থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে।