গাইবান্ধার বন্যাপ্রবণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু ও দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে বন্যা আসার আগে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ডেভেলপ লোকালাইজড আর্লি অ্যাকশন প্ল্যানিং অ্যান্ড আর্লি ম্যাট্রিক্স রিভিউ শীর্ষক এক কর্মশালায় এই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের আর্থিক সহায়তায় স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশনের অংশীদারিত্বে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে স্কেল আপ ফ্লাড অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন ফর প্রোটেক্টিং লাইভ অ্যান্ড অ্যাসেট ইন নর্দার্ন রিজিওনের প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়নের (বিডব্লিউডিবি) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, রিমসের কান্ট্রি লিড রায়হানুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেন-এর মানবিক সেক্টর ম্যানেজার তৌহিদুল ইসলাম তরফদার, কারিগরি বিশেষজ্ঞ ফাতেমা মেহেরুন্নেসা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও প্রকল্প সমন্বয়কারী একেএম আব্দুল মতিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বন্যা এবং এর পরবর্তী সময়কালে বন্যা কবলিত মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্বল্পমেয়াদী প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনার সুপারিশ করেন।
বক্তারা বলেন, বন্যাপ্রবণ এলাকার মানুষের গৃহীত প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা বন্যার সময় জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















