বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়িতে গিয়ে আমন্ত্রণপত্র ও উপহার পৌঁছে দিলেন ইউএনও

গাইবান্ধা জেলার একমাত্র জীবিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মায়ের বাড়িতে গিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্র ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ হোসেন ।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইড় গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে যান।

এ সময় পুত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিমের পথচেয়ে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয়ে যাওয়া শহীদমাতা নবতিপর বৃদ্ধা আছিরন বেগমের হাতে পুষ্টস্তবক, ফলমূল, পোষাক-পরিচ্ছদ ও নগদ টাকা সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিমের প্রতীকি কবরে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

গোবিন্দগঞ্জের গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ হোসেন জানান, আগামী ২৬ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র নিজ হাতে পৌঁছে দেয়ার জন্য তিনি এখানে আসেন। এ সময় তিনি জেলার একমাত্র জীবিত শহীদমাতার সাথে সাক্ষাতের এ মূহুর্তটিকে তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ বলে জানান। সাক্ষাতের সময়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম আজাদ, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন, গোবিন্দগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবির, সাংবাদিক মনজুর হাবীব মনজু, এবিএস লিটন উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

বাড়িতে গিয়ে আমন্ত্রণপত্র ও উপহার পৌঁছে দিলেন ইউএনও

প্রকাশের সময়: ০৭:২৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

গাইবান্ধা জেলার একমাত্র জীবিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মায়ের বাড়িতে গিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্র ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ হোসেন ।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকেলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইড় গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে যান।

এ সময় পুত্র শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিমের পথচেয়ে কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয়ে যাওয়া শহীদমাতা নবতিপর বৃদ্ধা আছিরন বেগমের হাতে পুষ্টস্তবক, ফলমূল, পোষাক-পরিচ্ছদ ও নগদ টাকা সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিমের প্রতীকি কবরে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

গোবিন্দগঞ্জের গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফ হোসেন জানান, আগামী ২৬ মার্চ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র নিজ হাতে পৌঁছে দেয়ার জন্য তিনি এখানে আসেন। এ সময় তিনি জেলার একমাত্র জীবিত শহীদমাতার সাথে সাক্ষাতের এ মূহুর্তটিকে তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ বলে জানান। সাক্ষাতের সময়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম আজাদ, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন, গোবিন্দগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবির, সাংবাদিক মনজুর হাবীব মনজু, এবিএস লিটন উপস্থিত ছিলেন।