বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবজাতকের ছবি তোলা নিয়ে হাতাহাতি,  প্রাণ গেল নারীর

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নবজাতকের ছবি তোলা নিয়ে হাতাহাতির ঘটনায় জামেনা বেগম (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায়  আবু হানিফ (৩০)  নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) বিকেলে  সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত জামেনা বেগম উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, কামারপাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে জিমি আক্তারের সঙ্গে একই চরপাড়া গ্রামে লাইজু মিয়ার বিয়ে হয়। এরই মধ্যে সাংসারিক মনমালিন্যের কারণে অন্তসত্তা জিমি আক্তার ৫ মাস ধরে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করে। কিছু দিন আগে জিমি আক্তার ফুটফুটে ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। এ

এদিকে,  লাইজু মিয়া তার নবজাতকের ছবি তোলার  জন্য একই গ্রামের এরশাদ মিয়া নামের এক যুবককে অনুরোধ করেন। এরপর এরশাদ মিয়া বুধবার (২৯ মার্চ)  জিমি আক্তারের মা রিনা বেগমের কাছে আসেন তার নাতীর ছবি তোলার জন্য। এসময় রিনা বেগম ছবি তুলতে নিষেধ করে গালিগালাজ করে। এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির শুরু হয়। এরই মধ্যে রিনার ঝাঁ জামেনা বেগম ঘটনা স্থলে এসে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করে। এতে দুপক্ষের হাতাহাতিতে আহত হয়। পরে জামেনা বেগমকে তাকে উদ্ধার করে সাঘাটা হাসপাতালে নেওয়া হয়।  পরের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জামেনা বেগম হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে  নিজ বাড়িতে এসে  রাত ৮টার দিকে মারা যায়।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার  জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার কামারপাড়া গ্রামের পারিবারিক দ্বন্দের বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলার এজাহারে অসুস্থ জামেনা বেগম নামের এক নারীর গতকাল রাতে মারা যায়।  এঘটনায় অভিযুক্ত আবু হানিফ নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

জনপ্রিয়

নবজাতকের ছবি তোলা নিয়ে হাতাহাতি,  প্রাণ গেল নারীর

প্রকাশের সময়: ০৭:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নবজাতকের ছবি তোলা নিয়ে হাতাহাতির ঘটনায় জামেনা বেগম (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায়  আবু হানিফ (৩০)  নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) বিকেলে  সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত জামেনা বেগম উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, কামারপাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে জিমি আক্তারের সঙ্গে একই চরপাড়া গ্রামে লাইজু মিয়ার বিয়ে হয়। এরই মধ্যে সাংসারিক মনমালিন্যের কারণে অন্তসত্তা জিমি আক্তার ৫ মাস ধরে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করে। কিছু দিন আগে জিমি আক্তার ফুটফুটে ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। এ

এদিকে,  লাইজু মিয়া তার নবজাতকের ছবি তোলার  জন্য একই গ্রামের এরশাদ মিয়া নামের এক যুবককে অনুরোধ করেন। এরপর এরশাদ মিয়া বুধবার (২৯ মার্চ)  জিমি আক্তারের মা রিনা বেগমের কাছে আসেন তার নাতীর ছবি তোলার জন্য। এসময় রিনা বেগম ছবি তুলতে নিষেধ করে গালিগালাজ করে। এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির শুরু হয়। এরই মধ্যে রিনার ঝাঁ জামেনা বেগম ঘটনা স্থলে এসে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করে। এতে দুপক্ষের হাতাহাতিতে আহত হয়। পরে জামেনা বেগমকে তাকে উদ্ধার করে সাঘাটা হাসপাতালে নেওয়া হয়।  পরের দিন বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জামেনা বেগম হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে  নিজ বাড়িতে এসে  রাত ৮টার দিকে মারা যায়।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু সরকার  জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার কামারপাড়া গ্রামের পারিবারিক দ্বন্দের বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলার এজাহারে অসুস্থ জামেনা বেগম নামের এক নারীর গতকাল রাতে মারা যায়।  এঘটনায় অভিযুক্ত আবু হানিফ নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।