বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমিউনিটি ক্লিনিকে নেওয়া হয় বিকাশের টাকা ও বিদ্যুৎ বিল

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে এমএইচভি কর্মী মমিন আহম্মেদ কে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেছেন ক্লীনিকের সিএইচসিপি । রবিবার সকালে হরিণদীয়া কমিউনিটি ক্লীনিকের এ ঘটনা ।

মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী এম,এইচ,ভি মমিন আহম্মেদ বলেন,কোটচাঁদপুর উপজেলার ১১ টি কমিউনিটি ক্লীনিকের মধ্যে হরিণদীয়া একটি। এ ক্লীনিকে ৭ জন এমএইচভি কাজ করেন। এরমধ্যে ২ জন চাকুরি ছেড়ে দেওয়ায় ওই পদ দুইটি খালি পড়ে আছে। এ সব পদে কোন লোক নিয়োগ না হলেও সে তার স্ত্রীকে নিয়োগ দেখাচ্ছেন। এ সব নিয়ে কথা বলায় সিএইচসিপি হাফিজুর রহমান আমাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। গালি দেন অকথ্য ভাষায়।

তিনি বলেন, সম্প্রতি তিনি আলামিন নামের এক এমএইচডির টাকা উত্তোলন করে আত্মাসাতের চেস্টা করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় ওই টাকা তাকে ফেরত দিতে হয়।

মমিন আহম্মেদ আরো বলেন,হাফিজুর রহমান কমিউনিটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে সে ব্যক্তিগত দোকান খুলেও কাজ করে থাকেন। তিনি ওই ক্লীনিকের মধ্যে বিকাশ, নগদ,এর ব্যবসা করেন। বিদ্যুৎ বিল ও নেন তিনি। লাঞ্চিতের ঘটনায় মমিন রবিবার দুপুরে মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান ।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সিএইচসিপি হাফিজুর রহমান জানান, ক্লীনিকে এ ধরনের কোন ঘটনায় ঘটেনি। এ ছাড়া যে অভিযোগ করেছেন সেটা মিথ্যা।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রশিদ বলেন,ওই ক্লিনিকে কয়েক জন অনুপস্থিত আছে, সেটা আমাকে জানিয়েছেন। এ ছাড়া ওখানে শুন্য পদে এখনও কোন লোক নেয়া হয়নি।তবে সিএইচসিপি হাফিজুরের স্ত্রীকে নেয়ার কথা ভাবছি। তবে ক্নিনিকে মারপিট বা লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেছে, তা আমাকে জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি কি ঘটেছে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

জনপ্রিয়

কমিউনিটি ক্লিনিকে নেওয়া হয় বিকাশের টাকা ও বিদ্যুৎ বিল

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরে এমএইচভি কর্মী মমিন আহম্মেদ কে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেছেন ক্লীনিকের সিএইচসিপি । রবিবার সকালে হরিণদীয়া কমিউনিটি ক্লীনিকের এ ঘটনা ।

মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী এম,এইচ,ভি মমিন আহম্মেদ বলেন,কোটচাঁদপুর উপজেলার ১১ টি কমিউনিটি ক্লীনিকের মধ্যে হরিণদীয়া একটি। এ ক্লীনিকে ৭ জন এমএইচভি কাজ করেন। এরমধ্যে ২ জন চাকুরি ছেড়ে দেওয়ায় ওই পদ দুইটি খালি পড়ে আছে। এ সব পদে কোন লোক নিয়োগ না হলেও সে তার স্ত্রীকে নিয়োগ দেখাচ্ছেন। এ সব নিয়ে কথা বলায় সিএইচসিপি হাফিজুর রহমান আমাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। গালি দেন অকথ্য ভাষায়।

তিনি বলেন, সম্প্রতি তিনি আলামিন নামের এক এমএইচডির টাকা উত্তোলন করে আত্মাসাতের চেস্টা করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় ওই টাকা তাকে ফেরত দিতে হয়।

মমিন আহম্মেদ আরো বলেন,হাফিজুর রহমান কমিউনিটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে সে ব্যক্তিগত দোকান খুলেও কাজ করে থাকেন। তিনি ওই ক্লীনিকের মধ্যে বিকাশ, নগদ,এর ব্যবসা করেন। বিদ্যুৎ বিল ও নেন তিনি। লাঞ্চিতের ঘটনায় মমিন রবিবার দুপুরে মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান ।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সিএইচসিপি হাফিজুর রহমান জানান, ক্লীনিকে এ ধরনের কোন ঘটনায় ঘটেনি। এ ছাড়া যে অভিযোগ করেছেন সেটা মিথ্যা।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রশিদ বলেন,ওই ক্লিনিকে কয়েক জন অনুপস্থিত আছে, সেটা আমাকে জানিয়েছেন। এ ছাড়া ওখানে শুন্য পদে এখনও কোন লোক নেয়া হয়নি।তবে সিএইচসিপি হাফিজুরের স্ত্রীকে নেয়ার কথা ভাবছি। তবে ক্নিনিকে মারপিট বা লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেছে, তা আমাকে জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি কি ঘটেছে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।