বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুপড়ি ঘর থেকে বৃদ্ধ এখন টিনের ঝলকে

একিবারে ছিন্নমূল পরিবারের বৃদ্ধ শফেজ উদ্দিন খলিফা। বয়স প্রায় ১০০ এর অধিক। দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা। বাস করছিলেন খড়ের একটি খুপড়ি ঘরে। সেটিও জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপুর্ণ। অবশেষ তার পাশে দাঁড়িয়েছে গাইবান্ধার কবি-সাহিত্যিক টিএম মনোয়ার হোসেন। তিনি এই বৃদ্ধের জন্য নির্মাণ করে দিলেন চকচকে একটি টিনের ঘর।

জানা যায়, শফেজ উদ্দিনের বসবাস পটুয়াখালীর বড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের গোপেরপাড় এলাকায়। প্রায় ৭৫ বছর ধরে তার স্ত্রী চাঁনবরু বেগমকে (৮২) নিয়ে চরম দারিদ্রতার সাথে জীবিকা নির্বাহ। চেয়ে-চিন্তে কিছুটা খাবার মুখে তুলতে পারলেও সূর্যের আলো ঢোকা, বৃষ্টির পানি পড়া খুপড়িতে খুব কষ্ট পেয়েই দিনাতিপাত করতে হচ্ছিল তাকে।

এরই একপর্যায়ে ওই এলাকার সাংবাদিক হাসান পারভেজের মাধ্যমে বৃদ্ধের জরাজীর্ণ ঘরের বিষয়টি অবগত হন গাইবান্ধার কবি-সাহিত্যিক টিএম মনোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে হাসান পারভেজের তত্ত্বাবধানে ও মনোয়ার হোসেনের অর্থায়নে খুপড়ি ঘরটি অপসারণ করে একটি নতুন টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়।

নতুন এই ঘরটি পেয়ে বৃদ্ধ শফেজ উদ্দিনের আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, আমার জীবনের শেষ ইচ্ছে পূরণ হয়েছে যা আমি কখনও ভাবিনি। আমার জীবনে আর কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই।

টিএম মনোয়ার হোসেন বলেন, শফেজ উদ্দিন চাচাকে সামান্য সহযোগিতা করতে পেরে বেশ ভালো লেগেছে। এভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত কিংবা অভাবীদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।

 

 

জনপ্রিয়

খুপড়ি ঘর থেকে বৃদ্ধ এখন টিনের ঝলকে

প্রকাশের সময়: ০৬:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২

একিবারে ছিন্নমূল পরিবারের বৃদ্ধ শফেজ উদ্দিন খলিফা। বয়স প্রায় ১০০ এর অধিক। দরিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা। বাস করছিলেন খড়ের একটি খুপড়ি ঘরে। সেটিও জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপুর্ণ। অবশেষ তার পাশে দাঁড়িয়েছে গাইবান্ধার কবি-সাহিত্যিক টিএম মনোয়ার হোসেন। তিনি এই বৃদ্ধের জন্য নির্মাণ করে দিলেন চকচকে একটি টিনের ঘর।

জানা যায়, শফেজ উদ্দিনের বসবাস পটুয়াখালীর বড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের গোপেরপাড় এলাকায়। প্রায় ৭৫ বছর ধরে তার স্ত্রী চাঁনবরু বেগমকে (৮২) নিয়ে চরম দারিদ্রতার সাথে জীবিকা নির্বাহ। চেয়ে-চিন্তে কিছুটা খাবার মুখে তুলতে পারলেও সূর্যের আলো ঢোকা, বৃষ্টির পানি পড়া খুপড়িতে খুব কষ্ট পেয়েই দিনাতিপাত করতে হচ্ছিল তাকে।

এরই একপর্যায়ে ওই এলাকার সাংবাদিক হাসান পারভেজের মাধ্যমে বৃদ্ধের জরাজীর্ণ ঘরের বিষয়টি অবগত হন গাইবান্ধার কবি-সাহিত্যিক টিএম মনোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে হাসান পারভেজের তত্ত্বাবধানে ও মনোয়ার হোসেনের অর্থায়নে খুপড়ি ঘরটি অপসারণ করে একটি নতুন টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়।

নতুন এই ঘরটি পেয়ে বৃদ্ধ শফেজ উদ্দিনের আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, আমার জীবনের শেষ ইচ্ছে পূরণ হয়েছে যা আমি কখনও ভাবিনি। আমার জীবনে আর কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই।

টিএম মনোয়ার হোসেন বলেন, শফেজ উদ্দিন চাচাকে সামান্য সহযোগিতা করতে পেরে বেশ ভালো লেগেছে। এভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত কিংবা অভাবীদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।