তোফায়েল হোসেন জাকির: গাইবান্ধার প্রত্যান্ত অঞ্চলে গরুর “লাম্পি স্কিন ডিজিট” নামের রোগের প্রাদুর্ভার দেখা দিয়েছে। এর ফলে গৃহস্থরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। এ পর্যন্ত ২৮৭টি আক্রান্ত গরুর চিকিৎসাসহ ১৩ হাজার গরুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে।
বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, এটি ভাইরাস জনিত রোগ আফ্রিকায় এ রোগ প্রথমে দেখা দেয় পরে ভারতে এবং এখন বাংলাদেশে এ ভাইরাসটির ঢুকে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে গাইবান্ধা এ রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে। গাইবান্ধার বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকরা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
সরেজমিনে শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে রকিবুল ইসলাম রকেট নামের এক কৃষক বলেন, হঠাৎ গরুর চামড়ার বিভিন্ন স্থানে ফুলে চাকা-চাকা হয়। গরুর শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর মুখে লালা থাকে এবং প্রচুর মাছি পরতে থাকে গরুর গায়ে।
স্থানীয় পশু চিকিৎসক মিজানুর রহমান মণ্ডল বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় “লাম্পি স্কিন ডিজিজ” রোগে আক্রান্ত বেশী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আক্রান্ত গরুগুলোর যত্নসহকারে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ রোগ প্রতিরোধক বিষয়ে গরুর মালিকদের নানান পরামশ দেওয়া হচ্ছে। যেন অন্য কোন পশুর মাঝে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য আক্রান্ত গরুকে মশারি দিয়ে রাখতে হবে। আতঙ্কিত বা ভয়ের কোন কারণ নেই।
এই রোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুদুর রহমান সরকার জাগো২৪.নেট-কে জানান, লাম্পি স্কিন ডিজিট রোগে গরুর মৃত্যুর ঝুঁকি কম। গৃহস্থদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ এবং চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যহত আছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে মশা, মাছির উপদ্রপ বেড়ে গেছে। এখন বৃষ্টি হয়েছে প্রকোপ কমে যাবে।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 



















