বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আম বাগান থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার এক আমবাগান থেকে সাদেকা বেগম (৩২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী গ্রামের সায়েদ চেয়ারম্যানপাড়ায় পূর্বের স্বামী জাহাঙ্গীর ইসলামের বাড়ির পাশের এক আম বাগান থেকে সাদেকা বেগম নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নারী সাদেকা বেগম (৩২) উপজেলার তেবাড়িয়ার ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের মেয়ে।

নিহতের ভগ্নিপতি মাহাবুর ইসলাম জানান, তাদের ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। ৩টি ছেলে সন্তান রয়েছে। সংসারে খুটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া ও নির্যাতন করায় তাদের তালাক হয়। পরে পরিবারকে না জানিয়ে নীলফামারীর দারোয়ানীর সলেমান মিস্ত্রির সাথে বিয়ে হয় সাদেকার।

নতুন স্বামীর বাড়ি থেকে বাচ্চাদের খোঁজখবর নিতে গত রাতে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে আসে৷ এরপর সকালে জানতে পারি সাদেকাকে কে বা কারা হত্যা করে মরদেহ আমবাগানে ফেলে রেখেছে। এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে খানসামা থানার ওসি (তদন্ত) তাওহীদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এটি একটি হত্যাকান্ড। মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই সঠিক তথ্য জানা যাবে। এরপর দোষীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

আম বাগান থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুলাই ২০২২

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার এক আমবাগান থেকে সাদেকা বেগম (৩২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার সকালে উপজেলার ভেড়ভেড়ী গ্রামের সায়েদ চেয়ারম্যানপাড়ায় পূর্বের স্বামী জাহাঙ্গীর ইসলামের বাড়ির পাশের এক আম বাগান থেকে সাদেকা বেগম নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নারী সাদেকা বেগম (৩২) উপজেলার তেবাড়িয়ার ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের মেয়ে।

নিহতের ভগ্নিপতি মাহাবুর ইসলাম জানান, তাদের ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। ৩টি ছেলে সন্তান রয়েছে। সংসারে খুটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া ও নির্যাতন করায় তাদের তালাক হয়। পরে পরিবারকে না জানিয়ে নীলফামারীর দারোয়ানীর সলেমান মিস্ত্রির সাথে বিয়ে হয় সাদেকার।

নতুন স্বামীর বাড়ি থেকে বাচ্চাদের খোঁজখবর নিতে গত রাতে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে আসে৷ এরপর সকালে জানতে পারি সাদেকাকে কে বা কারা হত্যা করে মরদেহ আমবাগানে ফেলে রেখেছে। এই হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে খানসামা থানার ওসি (তদন্ত) তাওহীদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এটি একটি হত্যাকান্ড। মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই সঠিক তথ্য জানা যাবে। এরপর দোষীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।