বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সিলিন্ডারে অগ্নিদগ্ধ শিশুর মৃত্যু

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ হয় আহম্মদ বিএসসি (৬৫) ও তার নাতি মোস্তাকিম মিয়া (৬)।  এরপর তাদের  রংপুর বার্ন ইউনিটে ৭ দিনের  চিকিৎসায় অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে মোস্তাকিম মিয়া মারা যায়।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) রংপুর থেকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকা নেওয়ার পথে সিরাজগঞ্জ নামকস্থানে পৌঁছালে মোস্তাকিম মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিহত এই শিশু জামালপুর সদর উপজেলার এরশাদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের তিলকপাড়া গ্রামের নানা আহম্মদ বিএসসির বাড়িতে বেড়াতে আসে নাতি মোস্তাকিম মিয়া। সেখানে থাকাবস্থায় গত ২৭ জুলাই বাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে নানা-নাতি দুজনে অগ্নিদগ্ধ হয়। এরপর তাদের উদ্ধার করে রংপুর বার্ন ইউনিটে ভর্তি করায় স্বজনরা।

ওই পরিবারের বরাত দিয়ে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য শাহাদৎ হোসেন জানান, নানা-নাতিকে রংপুর বার্ন ইউনিটে ৭ দিনের  চিকিৎসার পরও শারীরিক অবনতি হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য দুইজনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মোস্তাকিম মিয়া মারা যায়।

জনপ্রিয়

গ্যাস সিলিন্ডারে অগ্নিদগ্ধ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময়: ০৯:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ হয় আহম্মদ বিএসসি (৬৫) ও তার নাতি মোস্তাকিম মিয়া (৬)।  এরপর তাদের  রংপুর বার্ন ইউনিটে ৭ দিনের  চিকিৎসায় অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে মোস্তাকিম মিয়া মারা যায়।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) রংপুর থেকে এ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকা নেওয়ার পথে সিরাজগঞ্জ নামকস্থানে পৌঁছালে মোস্তাকিম মিয়া মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিহত এই শিশু জামালপুর সদর উপজেলার এরশাদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের তিলকপাড়া গ্রামের নানা আহম্মদ বিএসসির বাড়িতে বেড়াতে আসে নাতি মোস্তাকিম মিয়া। সেখানে থাকাবস্থায় গত ২৭ জুলাই বাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে নানা-নাতি দুজনে অগ্নিদগ্ধ হয়। এরপর তাদের উদ্ধার করে রংপুর বার্ন ইউনিটে ভর্তি করায় স্বজনরা।

ওই পরিবারের বরাত দিয়ে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য শাহাদৎ হোসেন জানান, নানা-নাতিকে রংপুর বার্ন ইউনিটে ৭ দিনের  চিকিৎসার পরও শারীরিক অবনতি হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে মঙ্গলবার উন্নত চিকিৎসার জন্য দুইজনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মোস্তাকিম মিয়া মারা যায়।