ছাতারদিঘী ইউনিয়নের,পাকিশা গ্রামে মোছাঃ চায়না বেগমের বাড়ি, স্বামী- মোঃ ফেরদৌস আলী। তার স্বামী বাক প্রতিবন্ধী ও পাগল৷ দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে চায়না বেগমের সংসার। চুলা আছে, চাল নেই।
খুব অভাবের সংসার, তিন বেলা খাবারও জুটেনা৷ চায়না বেগম একা হয়ে আর কজনার মুখে খাবার তুলে দিবেন। ছেলে মেয়ে না খেয়ে থাকলে পাগলের মতন ছুটেন বাড়ি বাড়ি৷ অনাহারে কেটে যায় তাদের দিন। কখনও টিউবলের জল খেয়ে পেটকে শান্তনা দেন৷ কিন্তু ছোট ছোট ছেলে মেয়ের কান্না তো থামেনা।
একজন মায়ের সব চেয়ে বড় কষ্ট,ছেলে মেয়ের চোখের জল৷ সমাজে যারা বিত্তশালী, হয়তো তাদের চোখ কষ্টের জল দেখেনা৷ তাইতো হাজারও চায়না বেগম স্বাধীন দেশে তিন বেলা খাবার পায়না৷ ছেলে মেয়ের কান্না ভিজিয়ে দেয় স্বাধীন বাংলার পতাকাকে৷ ছেলে মেয়ে কাদছে না,কাদছে আমার পতাকা। চায়না বেগমেরা এভাবে হেরে যেতে পারেনা,অসহায়কে সাহায্য করাই মানুষের ধর্ম।
কমলমতি ছেলে- মেয়ের দিকে তাকিয়ে সবার বুক ফেটে যাবে,হে সমাজ প্রতি! চায়না বেগমের কষ্টটা বুঝুন। সেও আমাদের সমাজের-ই একজন,হে সমাজ প্রতি কষ্টটা একবার বুঝুন৷ সুখের হাসি ফিরায়ে দিন।
হাবিবুর রহমান, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সিংড়া (নাটর) 



















