বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবরস্থান জবর দখলের চেষ্টায় ভাঙচুর-মারপিট

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কুপতলার হাজিপাড়া গ্রামে কবরস্থান জবর দখলের চেষ্টায় হামলা চালিয়ে এনছার আলী নামের এক ব্যাক্তির বাড়িঘর ভাঙচুর, মারপিট, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। মারপিটে এনছার আলীর ভাবী রোসনা বেগমসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে জানা গেছে, সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুপতলার হাজিপাড়া গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে এনছার আলীর পৈতৃক সুত্রে ১০ বছরের দখলকৃত পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে পার্শ্ববর্তী হাবি মিয়ার ছেলে রাজা মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল।

এরই একপর্যায়ে মঙ্গলবার (আগস্ট) সকালে রাজা মিয়া গংদের সাথে এনছার আলীদের সাথে ঝগড়া বাধে। এতে রাজা মিয়া গালিগালাজসহ এনছাড়র আলীর বাড়িঘর, জমি দখলসহ রাস্তাঘাটে আক্রমন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দেয়। পরে ভুক্তভোগী এনছার আলী বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

এই অভিযোগ দায়ের এর বিষয়টি রাজা মিয়া জেনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকেলে লাঠি, লোহার রড, ধারালো ছোরাসহ দলবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগী এনছার আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের বেড়া, বাড়ির গেট ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুট করে। একই সঙ্গে  কবরস্থানে বাঁশ ঝাড়ের বাশ কেটে নেয়াসহ প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে।

এ সময় এনছার আলীসহ তার ভাবি রোসনা বেগমসহ আরও অনেকে  ও রোসনার এগিয়ে বাধা দিলে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। রাজা মিয়ার হাতে থাকা ছোড়া দিয়ে রোসনা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করতে ধরলে রোসনা ডান দিয়ে ঠেকালে তার ডান হাতের ৩টি আংগুল হাড় কাটা জখম হয় এবং মাটিতে পড়ে গেলে জাহাঙ্গীর মিয়া তাকে শ্বাসরোধের উদ্দেশ্যে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে ও বুকে ও পিঠে আঘাত করে।  রোসনা বেগমকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজা মিয়া কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য দিতে রাজি হন নি।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান এর মতামত জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

 

 

 

জনপ্রিয়

কবরস্থান জবর দখলের চেষ্টায় ভাঙচুর-মারপিট

প্রকাশের সময়: ০৯:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম কুপতলার হাজিপাড়া গ্রামে কবরস্থান জবর দখলের চেষ্টায় হামলা চালিয়ে এনছার আলী নামের এক ব্যাক্তির বাড়িঘর ভাঙচুর, মারপিট, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। মারপিটে এনছার আলীর ভাবী রোসনা বেগমসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে জানা গেছে, সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুপতলার হাজিপাড়া গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে এনছার আলীর পৈতৃক সুত্রে ১০ বছরের দখলকৃত পারিবারিক কবরস্থান নিয়ে পার্শ্ববর্তী হাবি মিয়ার ছেলে রাজা মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল।

এরই একপর্যায়ে মঙ্গলবার (আগস্ট) সকালে রাজা মিয়া গংদের সাথে এনছার আলীদের সাথে ঝগড়া বাধে। এতে রাজা মিয়া গালিগালাজসহ এনছাড়র আলীর বাড়িঘর, জমি দখলসহ রাস্তাঘাটে আক্রমন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দেয়। পরে ভুক্তভোগী এনছার আলী বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

এই অভিযোগ দায়ের এর বিষয়টি রাজা মিয়া জেনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বুধবার (১০ আগস্ট) বিকেলে লাঠি, লোহার রড, ধারালো ছোরাসহ দলবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগী এনছার আলীর বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের বেড়া, বাড়ির গেট ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুট করে। একই সঙ্গে  কবরস্থানে বাঁশ ঝাড়ের বাশ কেটে নেয়াসহ প্রায় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে।

এ সময় এনছার আলীসহ তার ভাবি রোসনা বেগমসহ আরও অনেকে  ও রোসনার এগিয়ে বাধা দিলে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। রাজা মিয়ার হাতে থাকা ছোড়া দিয়ে রোসনা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করতে ধরলে রোসনা ডান দিয়ে ঠেকালে তার ডান হাতের ৩টি আংগুল হাড় কাটা জখম হয় এবং মাটিতে পড়ে গেলে জাহাঙ্গীর মিয়া তাকে শ্বাসরোধের উদ্দেশ্যে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে ও বুকে ও পিঠে আঘাত করে।  রোসনা বেগমকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজা মিয়া কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য দিতে রাজি হন নি।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান এর মতামত জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।