বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোরবানির চাওয়া গোশত খাওয়া হলো না মমিনুরের

দরিদ্র পরিবারের প্রতিবন্ধী শিশু মমিনুর রহমান (৮)। রিকশাচালক বাবা সুরুজ আলীর সঙ্গে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে ঈদগাহ মাঠে। এরপর কোরবানির গোশত সংগ্রহ করতে ব্যাগ নিয়ে বের হয় অন্যের দুয়ারে। এসব গোশত বাড়িতে এনে তার মাকে রান্না করার কথা বলে গোসল করতে যায় পুকুরে। এ পুকরের পানিতে ডুবে মারা যায় মমিনুর।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন-ঈদের দিন) বিকেলে হৃদয় বিদারক এই ঘটনাটি ঘটে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের ছোট দৌলতপুর গ্রামে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহতের বাবা সুরুজ আলী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, অভাব অনটনের সংসারে রিকশাভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার বাকপ্রতিবন্ধী ছেলে মমিনুর রহমানে আজ ঈদের নামাজ শেষে সমাজের কোরবানির গোশত সংগ্রহ করে মনের আনন্দে বাড়ি ফিরে। এই গোশতগুলো রান্না করে খাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ে। তার মাকে দ্রুত রান্নার চাপ দিয়ে পাশের মনোয়ারুলের পুকুরে গোসল করতে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই পুকুরে মমিনুরের মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন (ইউপি) সদস্য আতোয়ার রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী মমিনুর রহমান পানিতে পড়ে মারা গেছে। কিছুদিন আগে শিশুটির একটি ভাতা কার্ড করে দিয়েছিলাম। সেই সুবিধাও ভোগ করতে পারল না। এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

জনপ্রিয়

কোরবানির চাওয়া গোশত খাওয়া হলো না মমিনুরের

প্রকাশের সময়: ০৯:১৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩

দরিদ্র পরিবারের প্রতিবন্ধী শিশু মমিনুর রহমান (৮)। রিকশাচালক বাবা সুরুজ আলীর সঙ্গে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে ঈদগাহ মাঠে। এরপর কোরবানির গোশত সংগ্রহ করতে ব্যাগ নিয়ে বের হয় অন্যের দুয়ারে। এসব গোশত বাড়িতে এনে তার মাকে রান্না করার কথা বলে গোসল করতে যায় পুকুরে। এ পুকরের পানিতে ডুবে মারা যায় মমিনুর।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন-ঈদের দিন) বিকেলে হৃদয় বিদারক এই ঘটনাটি ঘটে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের ছোট দৌলতপুর গ্রামে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নিহতের বাবা সুরুজ আলী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, অভাব অনটনের সংসারে রিকশাভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার বাকপ্রতিবন্ধী ছেলে মমিনুর রহমানে আজ ঈদের নামাজ শেষে সমাজের কোরবানির গোশত সংগ্রহ করে মনের আনন্দে বাড়ি ফিরে। এই গোশতগুলো রান্না করে খাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ে। তার মাকে দ্রুত রান্নার চাপ দিয়ে পাশের মনোয়ারুলের পুকুরে গোসল করতে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই পুকুরে মমিনুরের মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন (ইউপি) সদস্য আতোয়ার রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী মমিনুর রহমান পানিতে পড়ে মারা গেছে। কিছুদিন আগে শিশুটির একটি ভাতা কার্ড করে দিয়েছিলাম। সেই সুবিধাও ভোগ করতে পারল না। এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা।