মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধাপেরহাট ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় কোটি টাকার হদিস মিলছে না, গ্রাহকদের উদ্বেগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় গ্রাহকদের জমাকৃত কোটি টাকার হদিস না মেলায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক গ্রাহক তাদের হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় হতবাক হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ব্যাংক শাখার সামনে ভুক্তভোগীদের ভিড় জমে এবং তারা দ্রুত তদন্ত ও অর্থ ফেরতের দাবি জানান।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধাপেরহাট শাখায় এ ঘটনাটি জানতে পারেন গ্রাহকরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কেউ কেউ জমার রসিদ দেখাতে পারলেও হিসাব বিবরণীতে সেই অর্থের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বেশ কিছু গ্রাহকের কোটি টাকার আমানত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ দ্রুত ফেরত নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত হিসাব যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে টাকার পরিমাণ কত হবে সেই হিসাব তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

এদিকে, ঘটনার পর থেকে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। অনেকেই তাদের জমা করা টাকার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ধাপেরহাট শাখার ম্যানেজার অলিউর রহমানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাকে ব্যাংকে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

ধাপেরহাট ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় কোটি টাকার হদিস মিলছে না, গ্রাহকদের উদ্বেগ

প্রকাশের সময়: ১০:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় গ্রাহকদের জমাকৃত কোটি টাকার হদিস না মেলায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক গ্রাহক তাদের হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় হতবাক হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ব্যাংক শাখার সামনে ভুক্তভোগীদের ভিড় জমে এবং তারা দ্রুত তদন্ত ও অর্থ ফেরতের দাবি জানান।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধাপেরহাট শাখায় এ ঘটনাটি জানতে পারেন গ্রাহকরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কেউ কেউ জমার রসিদ দেখাতে পারলেও হিসাব বিবরণীতে সেই অর্থের কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বেশ কিছু গ্রাহকের কোটি টাকার আমানত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ দ্রুত ফেরত নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত হিসাব যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে টাকার পরিমাণ কত হবে সেই হিসাব তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

এদিকে, ঘটনার পর থেকে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। অনেকেই তাদের জমা করা টাকার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ধাপেরহাট শাখার ম্যানেজার অলিউর রহমানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাকে ব্যাংকে পাওয়া যায়নি।